২৪তম বিসিএস প্রশ্ন সমাধান সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাসহ
১. 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' কে রচনা করেন?
ক) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
খ) সুকুমার সেন
গ) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ঘ) মুহম্মদ এনামুল হক
সঠিক উত্তরঃ গ) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ঃ তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী। তাঁর বিখ্যাত গবেষণামূলক গ্রন্থের নাম 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)।
খ) সুকুমার সেনঃ তিনি একজন খ্যাতনামা ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক, যার বিখ্যাত বইয়ের নাম 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস'।
গ) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহঃ এটিই সঠিক উত্তর। বহুভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক ভাষা-গবেষণামূলক গ্রন্থ হলো 'বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৬৫)।
ঘ) মুহম্মদ এনামুল হকঃ তিনি একজন বিশিষ্ট গবেষক ও ভাষাবিদ, যিনি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সাথে 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনায় যুক্ত ছিলেন এবং তাঁর নিজের বিখ্যাত বই 'বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস'।
২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?
ক) শেষের কবিতা
খ) বলাকা
গ) ডাকঘর
ঘ) কালান্তর
সঠিক উত্তরঃ ক) শেষের কবিতা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) শেষের কবিতাঃএটিই সঠিক উত্তর। ১৯২৯ সালে প্রকাশিত 'শেষের কবিতা' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কালজয়ী, আধুনিক ও রোমান্টিক ঘরানার কাব্যধর্মী উপন্যাস। এর প্রধান চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
খ) বলাকাঃ এটি রবীন্দ্রনাথের ১৯১৬ সালে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিখ্যাত গতিবাদী কাব্যগ্রন্থ বা কবিতার বই।
গ) ডাকঘরঃ এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ১৯১২ সালের একটি বিখ্যাত ও প্রতীকী নাটক। অমল নামের একটি ছোট ছেলের গল্প নিয়ে এটি আবর্তিত হয়েছে।
ঘ) কালান্তরঃ এটি কবিগুরুর ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধ সংকলন বা প্রবন্ধের বই।
৩. কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত 'ধূমকেতু' কোন ধরনের প্রকাশনা?
ক) কবিতা
খ) পত্রিকা
গ) উপন্যাস
ঘ) ছোটগল্প
সঠিক উত্তরঃ খ) পত্রিকা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) কবিতাঃ নজরুল 'ধূমকেতু' নামে কোনো বিখ্যাত কবিতা লেখেননি, তবে তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা হলো 'মুক্তি'।
খ) পত্রিকাঃ এটিই সঠিক উত্তর। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে অর্ধ-সাপ্তাহিক 'ধূমকেতু' পত্রিকা প্রথম আত্মপ্রকাশ করে। এই পত্রিকায় তাঁর 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি প্রকাশের কারণে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কারাদণ্ড দিয়েছিল।
গ) উপন্যাসঃ নজরুলের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'বাঁধনহারা', 'মৃত্যুক্ষুধা' ও 'কুহেলিকা'।
ঘ) ছোটগল্পঃ নজরুলের ছোটগল্পের বইয়ের নাম 'ব্যথার দান', 'রিক্তের বেদন' ও 'শিউলিমালা'।
৪. জসিমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
ক) রাখালী
খ) সোজন বাদিয়ার ঘাট
গ) নকশী কাঁথার মাঠ
ঘ) বালুচর
সঠিক উত্তরঃ ক) রাখালী
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) রাখালীঃ এটিই সঠিক উত্তর। পল্লীকবি জসিমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'রাখালী', যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এই কাব্যগ্রন্থের অন্যতম অংশ হলো তাঁর বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি।
খ) সোজন বাদিয়ার ঘাটঃ এটি জসিমউদ্দীনের ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত একটি গভীর ও ট্রাজিক প্রেমের কাহিনীকাব্য বা দীর্ঘ কবিতা।
গ) নকশী কাঁথার মাঠঃ এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ও কালজয়ী কাহিনীকাব্য, যা পরবর্তীতে 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।
ঘ) বালুচরঃ এটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত পল্লীকবির অন্যতম আরেকটি অসাধারণ গীতিকবিতার গ্রন্থ।
৫. 'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
ক) হাসান হাফিজুর রহমান
খ) জহির রায়হান
গ) শহীদুল্লা কায়সার
ঘ) আনোয়ার পাশা
সঠিক উত্তরঃ ঘ) আনোয়ার পাশা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) হাসান হাফিজুর রহমানঃ তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' সংকলনের প্রধান সম্পাদক এবং একজন প্রখ্যাত কবি, তবে এটি তাঁর উপন্যাস নয়।
খ) জহির রায়হানঃ বাংলা সাহিত্যের শক্তিমান কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হানের বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো 'হাজার বছর ধরে', 'আরেক ফাল্গুন', 'বরফ গলা নদী' ও 'শেষ বিকেলের মেয়ে'।
গ) শহীদুল্লা কায়সারঃ তাঁর বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হলো 'সারেং বৌ' (১৯৬২) এবং 'সংশপ্তক' (১৯৬৫)।
ঘ) আনোয়ার পাশাঃ এটিই সঠিক উত্তর। বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮-১৯৭১ খ্রি.) ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে এই অসাধারণ উপন্যাসটি লেখেন। এটিই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাস।
৬. 'জঙ্গম'-এর বিপরীতার্থ শব্দ কি?
ক) অরণ্য
খ) পর্বত
গ) স্থাবর
ঘ) সমুদ্র
সঠিক উত্তরঃ গ) স্থাবর
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) অরণ্যঃ অরণ্য শব্দের অর্থ হলো বন, জঙ্গল বা কানন। এর সাথে জঙ্গম শব্দের কোনো বিপরীত অর্থ নেই।
খ) পর্বতঃ পর্বত শব্দের অর্থ হলো পাহাড়, গিরি বা অচল। এটি জঙ্গম শব্দের সরাসরি ব্যাকরণগত বিপরীত শব্দ নয়।
গ) স্থাবরঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলা ব্যাকরণে 'জঙ্গম' বিশেষণ পদের অর্থ হলো যা গতিশীল বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায়। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'স্থাবর', যার অর্থ স্থির বা অচল (যেমন: স্থাবর সম্পত্তি)।
ঘ) সমুদ্রঃ সমুদ্র শব্দের অর্থ হলো সাগর, জলধি বা সিন্ধু, যা জঙ্গমের সাথে সম্পর্কিত নয়।
৭. 'উৎকর্ষতা' কি কারণে অশুদ্ধ?
ক) সন্ধিজনিত
খ) প্রত্যয়জনিত
গ) উপসর্গজনিত
ঘ) বিভক্তিজনিত
সঠিক উত্তরঃ খ) প্রত্যয়জনিত
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) সন্ধিজনিতঃ দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনজনিত কোনো ভুলের কারণে এই শব্দটি অশুদ্ধ হয়নি।
খ) প্রত্যয়জনিতঃ এটিই সঠিক উত্তর। মূল শুদ্ধ শব্দ বা বিশেষ্য পদটি হলো 'উৎকর্ষ'। এর সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যুক্ত করে 'উৎকর্ষতা' লিখলে তা বাহুল্য দোষে দুষ্ট হয় এবং ব্যাকরণগতভাবে প্রত্যয়জনিত ভুল হিসেবে গণ্য হয়। এর সঠিক বিশেষণ রূপ হবে 'উৎকৃষ্টতা'।
গ) উপসর্গজনিতঃ শব্দের শুরুতে বসা কোনো উপসর্গের কারণে এই ভুলটি হয়নি।
ঘ) বিভক্তিজনিত; বাক্যের পদের সাথে যুক্ত হওয়া কোনো বিভক্তির কারণে এটি অশুদ্ধ হয়নি।
৮. তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?---এখানে 'না'-এর ব্যবহার কি অর্থে?
ক) না-বাচক
খ) হ্যাঁ-বাচক
গ) প্রশ্নবোধক
ঘ) বিস্ময়সূচক
সঠিক উত্তরঃ খ) হ্যাঁ-বাচক
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) না-বাচকঃ বাক্যটিতে 'না' থাকলেও এটি কোনো কিছু অস্বীকার বা নেতিবাচক (No) অর্থ প্রকাশ করছে না।
খ) হ্যাঁ-বাচকঃ এটিই সঠিক উত্তর। আপাতদৃষ্টিতে বাক্যটি প্রশ্নবোধক ও না-বোধক মনে হলেও, এর আসল ভেতরের ভাবটি হলো ইতিবাচক বা হ্যাঁ-বাচক (Yes)। বক্তা আসলে নিশ্চিত হতে চাচ্ছেন যে আগামীকাল আসার কথাটি একদম ঠিক বা 'হ্যাঁ' ছিল।
গ) প্রশ্নবোধকঃ বাক্যটিতে প্রশ্ন করা হলেও 'না' শব্দটির নিজস্ব ব্যবহার বা ভূমিকা এখানে প্রশ্ন তৈরির জন্য নয়, বরং নিশ্চয়তা পাওয়ার জন্য।
ঘ) বিস্ময়সূচকঃ এই বাক্যের মাধ্যমে কোনো অবাক হওয়া বা আশ্চর্য হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ পায়নি।
৯. কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
ক) মৃত্যুক্ষুধা
খ) আলেয়া
গ) ঝিলিমিলি
ঘ) মধুমালা
সঠিক উত্তরঃ ক) মৃত্যুক্ষুধা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) মৃত্যুক্ষুধাঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯৩০ সালে প্রকাশিত 'মৃত্যুক্ষুধা' হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। নজরুলের অপর দুটি উপন্যাস হলো 'বাঁধনহারা' ও 'কুহেলিকা'।
খ) আলেয়াঃ এটি নজরুল ইসলাম রচিত ১৯৩১ সালের একটি বিখ্যাত গীতিনাট্য বা অপেরা (নাটক)।
গ) ঝিলিমিলিঃ এটি নজরুলের ১৯৩০ সালে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাট্যগ্রন্থ বা ছোট নাটকের সংকলন।
ঘ) মধুমালাঃ এটি কবির ১৯৫৯ সালে প্রকাশিত একটি লোকজ ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত গীতি-আলেখ্য বা নাটক।
১০. 'মা যে জননী কান্দে' কোন ধরনের রচনা?
ক) কাব্য
খ) নাটক
গ) উপন্যাস
ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তরঃ ক) কাব্য
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) কাব্যঃ এটিই সঠিক উত্তর। পল্লীকবি জসিমউদ্দীন রচিত 'মা যে জননী কান্দে' (১৯৬৩) একটি বিখ্যাত ও বেদনাঘন দীর্ঘ কাহিনীকাব্য বা কাব্যগ্রন্থ।
খ) নাটকঃ জসিমউদ্দীনের বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে 'পদ্মাপাড়', 'বেদের মেয়ে' ও 'মধুমালা'। তবে 'মা যে জননী কান্দে' নাটক নয়।
গ) উপন্যাসঃ জসিমউদ্দীনের লেখা একমাত্র উপন্যাসের নাম 'বোবা কাহিনী' (১৯৬৪)।
ঘ) প্রবন্ধঃ তিনি 'জারীগান' (১৯৬৮) ও 'মুর্শীদি গান' (১৯৭৭) নামক গবেষণামূলক প্রবন্ধ ও লোকসঙ্গীতের বই সম্পাদনা করেছেন।
১১. কোনটা ঠিক?
ক) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
খ) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)
গ) বহিপীর (নাটক)
ঘ) মহাশ্মশান (নাটক)
সঠিক উত্তরঃ গ) বহিপীর (নাটক)
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)- এটি ভুল তথ্য। কারণ 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) জসিমউদ্দীনের একটি বিখ্যাত কাহিনীকাব্য বা দীর্ঘ কবিতা, উপন্যাস নয়।
খ) কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)-- এটিও ভুল তথ্য। 'কাঁদো নদী কাঁদো' (১৯৬৮) হলো প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি জনপ্রিয় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।
গ) বহিপীর (নাটক)-- এটি একদম সঠিক তথ্য। 'বহিপীর' (১৯৬০) হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি কালজয়ী ও সমাজ সচেতনতামূলক নাটক।
ঘ) মহাশ্মশান (নাটক)-- এটি ভুল তথ্য। 'মহাশ্মশান' (১৯০৪) হলো মহাকবি কায়কোবাদ রচিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি বিখ্যাত মহাকাব্য, নাটক নয়।
১২. 'কার মাথায় হাত বুলিয়েছ'---এখানে 'মাথা' শব্দের অর্থ—
ক) স্বভাব নষ্ট করা
খ) স্পর্ধা বাড়া
গ) ফাঁকি দেওয়া
ঘ) কোনো উপায়ে
সঠিক উত্তরঃ গ) ফাঁকি দেওয়া
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) স্বভাব নষ্ট করাঃ বাংলায় সন্তান বা কাউকে অতিরিক্ত আদর দিয়ে নষ্ট করাকে 'মাথায় তোলা' বা 'মাথায় চড়ানো' বলা হয়, 'মাথায় হাত বোলানো' নয়।
খ) স্পর্ধা বাড়াঃ কারও অতিরিক্ত সাহস বা অহংকার বেড়ে যাওয়াকে বলা হয় 'মাথায় ওঠা'।
গ) ফাঁকি দেওয়াঃ এটিই সঠিক উত্তর। কাউকে মিষ্টি কথায় বা কৌশলে বোকা বানানো, ধোঁকা দেওয়া বা নিজের স্বার্থ হাসিল করার আসল বাগধারা হলো 'মাথায় হাত বোলানো'।
ঘ) কোনো উপায়েঃ কোনো কিছু যেকোনো উপায়ে ম্যানেজ করা বা চেষ্টা করাকে 'মাথা খাটানো' বা 'মাথা দেওয়া' বলা হয়ে থাকে।
১৩. শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?
ক) পথের দাবী
খ) নিষ্ফৃতি
গ) চরিত্রহীন
ঘ) দত্তা
সঠিক উত্তরঃ ক) পথের দাবী
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) পথের দাবীঃ এটিই সঠিক উত্তর। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই রাজনৈতিক উপন্যাসটি (১৯২৬) ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী আন্দোলনের পক্ষে কথা বলায় তৎকালীন ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী এটিকে বাজেয়াপ্ত বা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
খ) নিষ্ফৃতিঃ এটি শরৎচন্দ্রের ১৯১৭ সালে প্রকাশিত একটি সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের গল্প নিয়ে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস, যা কখনো নিষিদ্ধ হয়নি।
গ) চরিত্রহীনঃ ১৯১৭ সালে প্রকাশিত সমাজ ও মানবচরিত্রের জটিল মনস্তত্ত্ব নিয়ে লেখা তাঁর অন্যতম আলোচিত উপন্যাস এটি।
ঘ) দত্তাঃ ১৯১৮ সালে প্রকাশিত এটি শরৎচন্দ্রের একটি চমৎকার রোমান্টিক ও সামাজিক উপন্যাস।
১৪. কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?
ক) আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
খ) ভবিষ্যতের বাঙালী
গ) উন্নত জীবন
ঘ) সভ্যতা
সঠিক উত্তরঃ খ) ভবিষ্যতের বাঙালী
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনেঃ এটি এস ওয়াজেদ আলীর কোনো গ্রন্থ নয়, এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের অন্য ধারার কন্টেন্ট।
খ) ভবিষ্যতের বাঙালীঃ এটিই সঠিক উত্তর। বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০-১৯৫১) রচিত এটি একটি বিখ্যাত সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তামূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ (১৯৪৩)।
গ) উন্নত জীবনঃ 'উন্নত জীবন' মূলত ডা. লুৎফর রহমানের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় জীবনমুখী ও মোটিভেশনাল প্রবন্ধ গ্রন্থ।
ঘ) সভ্যতাঃ এটি তাঁর প্রধান গ্রন্থ নয়, তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে 'মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ' ও 'গুলদাস্তা' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
১৫. নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?
ক) কষ্ট
খ) উপনিষৎ
গ) কল্যাণীয়েষু
ঘ) আষাঢ়
সঠিক উত্তরঃ ঘ) আষাঢ়
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) কষ্ট: এই শব্দে 'ষ' ব্যবহারের কারণ হলো নত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী, 'ই' বা 'উ' কারান্ত উপসর্গের পর কিংবা 'ট' ও 'ঠ' যুক্তবর্ণের সাথে (যেমন: ষ + ট) মূর্ধন্য-ষ বসে। তাই এটি নিত্য বা নিয়মছাড়া নয়।
খ) উপনিষৎঃ এটি সন্ধি বা প্রত্যয়গত কারণে ব্যাকরণের সাধারণ নিয়মের আওতাভুক্ত।
গ) কল্যাণীয়েষুঃ এটি ব্যাকরণের ষত্ব বিধানের বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী বিভক্তি বা প্রত্যয়ের কারণে 'ষ' হয়েছে।
ঘ) আষাঢ়ঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলা ব্যাকরণে যেসব শব্দে কোনো নিয়ম ছাড়াই স্বভাবগতভাবে বা প্রাচীনকাল থেকেই মূর্ধন্য-ষ (ষ) বসে আসছে, সেগুলোকে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলে। 'আষাঢ়' তেমনই একটি শব্দ (যেমন: আষাঢ়,াষাঢ়, কষায়, পাষাণ ইত্যাদি)।
১৬. 'ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে', বলেছেন---
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) কাজী নজরুল ইসলাম
গ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
ঘ) প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তরঃ ঘ) প্রমথ চৌধুরী
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরঃ ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে রবীন্দ্রনাথের অনেক উক্তি থাকলেও চলিত ভাষার পক্ষে এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁর নয়।
খ) কাজী নজরুল ইসলামঃ নজরুল মূলত বিপ্লবী ও আবেগময়ী ভাষার প্রবক্তা ছিলেন, তবে ভাষারীতির এই প্রথাবিরোধী উক্তিটি তিনি করেননি।
গ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ঃ (ছদ্মনাম বনফুল) তিনি তাঁর অণু গল্প ও বিচিত্র রচনার জন্য বিখ্যাত, তবে এই উক্তিটি তাঁর নয়।
ঘ) প্রমথ চৌধুরীঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার বদলে মুখের চলিত ভাষাকে লেখার ভাষা হিসেবে জনপ্রিয় করার জন্য প্রমথ চৌধুরী (বীরবল) এই বিখ্যাত ও যুক্তিপূর্ণ কথাটি বলেছিলেন।
১৭. 'অক্ষির সমীপে'-এর সংক্ষেপণ হলো---
ক) সমক্ষ
খ) পরোক্ষ
গ) प्रत्यक्ष
ঘ) নিরপেক্ষ
সঠিক উত্তরঃ ক) সমক্ষ
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) সমক্ষঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাক্যসংকোচনের নিয়ম অনুযায়ী অক্ষি বা চোখের সমীপে (কাছে/সামনে) যা ঘটে, তাকে এককথায় 'সমক্ষ' বলা হয়।
খ) পরোক্ষঃ চোখের অগোচরে বা আড়ালে যা কিছু ঘটে, তাকে এককথায় বলা হয় 'পরোক্ষ'।
গ) প্রত্যক্ষঃ অক্ষি বা চোখের একদম সরাসরি সম্মুখে যা উপস্থিত থাকে, তাকে বলা হয় 'প্রত্যক্ষ'।
ঘ) নিরপেক্ষঃ কোনো একটি নির্দিষ্ট পক্ষের দিকে না গিয়ে সম্পূর্ণ মাঝখানে বা জাজমেন্টাল অবস্থানে থাকাকে বলা হয় 'নিরপেক্ষ'।
১৮. উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য---
ক) অব্যয় ও শব্দাংশ
খ) নতুন শব্দ গঠনে
গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
ঘ) ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
সঠিক উত্তরঃ গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) অব্যয় ও শব্দাংশঃ উপসর্গ এক ধরনের অব্যয়সূচক শব্দাংশ হলেও প্রত্যয়ও ধাতুর পরের অংশ, তাই এটি এদের মূল মৌলিক পার্থক্য নয়।
খ) নতুন শব্দ গঠনেঃ উপসর্গ এবং প্রত্যয়--দুটিই কিন্তু বাংলা ব্যাকরণে নতুন নতুন শব্দ তৈরি করতে সাহায্য করে। তাই এটি এদের অমিল বা পার্থক্য নয়।
গ) উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনেঃ এটিই সঠিক উত্তর। এদের আসল গাঠনিক পার্থক্য -- উপসর্গ সবসময় মূল শব্দ বা ধাতুর আগে (সামনে) বসে (যেমন: বি + কার = বিকার), আর প্রত্যয় সবসময় শব্দ বা ধাতুর শেষে (পিছনে) বসে (যেমনঃ কাঁদ + অন = কাঁদন)।
ঘ) ভিন্ন অর্থ প্রকাশেঃ দুটিই শব্দের অর্থগত পরিবর্তন ও বৈচিত্র্য আনতে ব্যবহার করা হয়, তাই এটি সুনির্দিষ্ট পার্থক্য নয়।
১৯. 'তুমি এতক্ষণ কী করেছ?'---এই বাক্যে 'কী' কোন পদ?
ক) বিশেষণ
খ) অব্যয়
গ) সর্বনাম
ঘ) ক্রিয়া
সঠিক উত্তরঃ গ) সর্বনাম
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) বিশেষণঃ যে পদ দ্বারা অন্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা বা পরিমাণ প্রকাশ পায়, তাকে বিশেষণ বলে। এখানে 'কী' দ্বারা কোনো দোষ-গুণ বোঝানো হচ্ছে না।
খ) অব্যয়ঃ যার কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না, তাকে অব্যয় বলে (যেমন: এবং, কিন্তু)। 'কী' কোনো অব্যয় পদ নয়।
গ) সর্বনামঃ এটিই সঠিক উত্তর। বিশেষ্য বা নাউনের পরিবর্তে যে পদ বসে, তাকে সর্বনাম বলে। এই বাক্যে 'তুমি কী করেছ' বলতে কোনো একটা কাজের নাম বা বিশেষ্যের বদলে প্রশ্নবোধক 'কী' ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এটি একটি প্রশ্নবোধক সর্বনাম (Interrogative Pronoun)।
ঘ) ক্রিয়াঃ যে পদ দ্বারা কোনো কিছু করা, হওয়া বা খাওয়া বোঝায়, তাকে ক্রিয়া বলে। এই বাক্যে ক্রিয়া পদটি হলো 'করেছ'।
২০. 'আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।'---এই বাক্যে 'আকাশে' শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?
ক) কর্তৃকারকে সপ্তমী
খ) কর্মকারকে সপ্তমী
গ) অপাদান কারকে তৃতীয়া
ঘ) অধিকরণ কারকে সপ্তমী
সঠিক উত্তরঃ ঘ) অধিকরণ কারকে সপ্তমী
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) কর্তৃকারকে সপ্তমী: বাক্যস্থিত যে পদ কাজটি সম্পন্ন করে, তাকে কর্তা বলে। এখানে আকাশ কোনো কাজ করছে না, তাই এটি কর্তৃকারক নয়।
খ) কর্মকারকে সপ্তমীঃ যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্ম বলে। আকাশ এখানে কর্ম নয়।
গ) অপাদান কারকে তৃতীয়াঃ যা থেকে কোনো কিছু বিচ্যুত, জাত বা আরম্ভ হয়, তাকে অপাদান বলে। তাছাড়া এখানে 'এ' বিভক্তি আছে, তৃতীয়া (দ্বারা, দিয়া) নয়।
ঘ) অধিকরণ কারকে সপ্তমীঃ এটিই সঠিক উত্তর। ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা সময়কে অধিকরণ কারক বলে। যেহেতু 'আকাশে' দ্বারা একটি বিশাল স্থান বা আধারকে নির্দেশ করা হচ্ছে এবং শব্দের শেষে 'এ' (আকাশ + এ) বিভক্তি রয়েছে, তাই এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
২১. Choose the correct alternative and mark its letter on your answer sheet:
There are --- dangerous drivers.
ক) a very lot of
খ) very many of
গ) very much of
ঘ) a lot of
সঠিক উত্তরঃ ঘ) a lot of
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) a very lot of: ইংরেজি গ্রামারে 'a very lot of' বলে কোনো সঠিক ফ্রেজ বা গঠন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল।
খ) very many of: সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো গ্রুপ বা অবজেক্টের আগে 'of' বসে (যেমন: many of the drivers)। সরাসরি নাউনের আগে 'very many of' বসে না।
গ) very much of: 'Much' ব্যবহৃত হয় Uncountable noun বা যা গণনা করা যায় না তার ক্ষেত্রে। কিন্তু 'drivers' হলো Countable noun (গণনা করা যায়)। তাই এটি ভুল।
ঘ) a lot of: এটিই সঠিক উত্তর। 'A lot of' একটি স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজি ফ্রেজ যার অর্থ "প্রচুর বা অনেক"। এটি Countable এবং Uncountable উভয় নাউনের পূর্বেই সঠিকভাবে বসানো যায়।
২২. I have read the book --- you lent me.
ক) that
খ) whom
গ) whose
ঘ) what
সঠিক উত্তরঃ ক) that
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) that: এটিই সঠিক উত্তর। কোনো বস্তু বা অচেতন পদার্থকে (যেমন এখানে 'book') নির্দেশ করতে relative pronoun হিসেবে 'that' বা 'which' ব্যবহৃত হয়।
খ) whom: এটি কোনো ব্যক্তিকে অবজেক্ট হিসেবে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: দ্য পারসন হুম আই স)। বস্তুর ক্ষেত্রে এটি বসে না।
গ) whose: এটি কোনো ব্যক্তির মালিকানা বা অধিকার বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (Whose pen?)।
ঘ) what: সাধারণত কোনো অজ্ঞাত বিষয় বা বক্তব্যের ক্ষেত্রে 'what' বসে, নির্দিষ্ট কোনো নাউনের (book) ঠিক পরে relative pronoun হিসেবে 'what' বসে can না।
২৩. Water boils --- you heat it to 180°C.
ক) unless
খ) until
গ) if
ঘ) although
সঠিক উত্তরঃ গ) if
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) unless: 'Unless' শব্দের অর্থ "যদি না"। এখানে যদি না বসালে অর্থ দাঁড়াবে "পানি ফুটবে না যদি না তুমি তাপ দাও", কিন্তু বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি মিলবে না।
খ) until: 'Until' মানে "যতক্ষণ না পর্যন্ত"। এটি এখানে বসালে বাক্যের বৈজ্ঞানিক সত্যতা প্রকাশ পায় না।
গ) if: এটিই সঠিক উত্তর। এটি একটি 'Zero Conditional' বা বৈজ্ঞানিক চিরন্তন সত্য বাক্য। নিয়ম অনুযায়ী, একটি চিরন্তন সত্য শর্ত প্রকাশ করতে 'if' (যদি) ব্যবহার করতে হয়। অর্থাৎ, "যদি তুমি পানিকে ১৮০°সি তাপ দাও, তবে তা ফুটবে।"
ঘ) although: 'Although' শব্দের অর্থ "যদিও"। এটি বিপরীতমুখী ভাব প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, শর্ত প্রকাশে নয়।
২৪. Tell me --- that.
ক) whom told you
খ) that told you
গ) who told you
ঘ) told you
সঠিক উত্তরঃ গ) who told you
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) whom told you: 'Whom' মূলত অবজেক্ট হিসেবে বসে। কিন্তু এখানে আমাদের একটি সাবজেক্ট বা কর্তা দরকার যে কথাটি বলেছে।
খ) that told you: 'That' সাধারণত কোনো বস্তু বা ঘটনার ক্ষেত্রে বসে। কে বলেছে বা কোন ব্যক্তি বলেছে তা বোঝাতে 'that' বসে না।
গ) who told you: এটিই সঠিক উত্তর। বাক্যটির অর্থ হলো "আমাকে বলো কে তোমাকে ওটা বলেছে।" যেহেতু কোনো ব্যক্তি বা কর্তা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে, তাই সাবজেক্ট হিসেবে রিলেটিভ প্রোনাউন 'who' বসবে।
ঘ) told you: এটি বসালে বাক্যটির মাঝখানে কোনো লিঙ্কার বা কনজাংশন থাকে না, ফলে দুটি ক্লজ সঠিকভাবে যুক্ত হতে পারে না।
২৫. I opened the door as soon as I --- the bell.
ক) have heard
খ) was hearing
গ) am heard
ঘ) heard
সঠিক উত্তরঃ ঘ) heard
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) have heard: 'As soon as'-এর আগের অংশটি যেহেতু Past Indefinite (opened) আছে, তাই পরের অংশে Present Perfect (have heard) বসার কোনো সুযোগ নেই।
খ) was hearing: সাধারণত শোনার কাজ বা 'hear' ভার্বটির সাথে continuous রূপ (was hearing) এভাবে ব্যবহৃত হয় না।
গ) am heard: এটি একটি প্রেজেন্ট প্যাসিভ স্ট্রাকচার, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
ঘ) heard: এটিই সঠিক উত্তর। ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, 'as soon as' দ্বারা দুটি অতীত ঘটনা যুক্ত হলে দুটি ক্লজই একই টেন্স অর্থাৎ Past Indefinite Tense হয়। যেহেতু প্রথম অংশ 'opened' (Past), তাই পরের অংশটিও 'heard' (Past) হবে।
২৬. I am looking for someone who --- play the piano.
ক) able to
খ) is able
গ) can be able to
ঘ) can
সঠিক উত্তরঃ ঘ) can
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) able to: সরাসরি 'who'-এর পর 'able to' বসে না, এর আগে একটি সাহায্যকারী ভার্ব (am/is/are) থাকা জরুরি ছিল।
খ) is able: শুধু 'is able' বসলে বাক্যটি অসম্পূর্ণ থাকে, এর সাথে একটি 'to' থাকা আবশ্যিক ছিল (is able to)।
* গ) can be able to: ইংরেজিতে 'can' এবং 'able to' দুটির অর্থই সামর্থ্য প্রকাশ করা। দুটি একসাথে ব্যবহার করলে 'Redundancy' বা বাহুল্য দোষ হয়।
ঘ) can: এটিই সঠিক উত্তর। কোনো ব্যক্তির কোনো কাজ করার ক্ষমতা বা সামর্থ্য (Ability) প্রকাশ করতে মডাল ভার্ব হিসেবে 'can' ব্যবহৃত হয়। বাক্যটির অর্থ: "আমি এমন কাউকে খুঁজছি যে পিয়ানো বাজাতে পারে।"
২৭. Don't make a noise while your father ---
ক) is being asleep
খ) is sleeping
গ) asleep
ঘ) has slept
সঠিক উত্তরঃ খ) is sleeping
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) is being asleep: এটি একটি ভুল ও কৃত্রিম ব্যাকরণগত গঠন, যা ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না।
খ) is sleeping: এটিই সঠিক উত্তর। ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম হলো- 'while' যুক্ত বাক্যের এক অংশ Imperative বা Present হলে 'while'-এর পরের অংশটি Present Continuous Tense হয়। অর্থাৎ, "যখন তোমার বাবা ঘুমাচ্ছেন, তখন গোলমাল করো না।"
গ) asleep: 'Asleep' একটি অ্যাডজেক্টিভ, সরাসরি সাবজেক্টের পর কোনো সাহায্যকারী ভার্ব ছাড়া এটি বসলে বাক্য গঠিত হয় না।
ঘ) has slept: এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা 'while' (চলমান সময়) এর নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
২৮. As the sun ---, I decided to go out.
ক) shines
খ) has shone
গ) shine
ঘ) was shining
সঠিক উত্তরঃ ঘ) was shining
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
ক) shines: প্রধান ক্লজটি যেহেতু অতীতে আছে (decided), তাই সাবঅর্ডিনেট ক্লজে প্রেজেন্ট টেন্স (shines) বসবে না।
খ) has shone: এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীত সিদ্ধান্তের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
গ) shine: 'The sun' থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় এর সাথে সরাসরি বেস ফর্ম 'shine' বসাও ভুল।
ঘ) was shining: এটিই সঠিক উত্তর। 'Sequence of Tenses' অনুযায়ী, প্রধান ক্লজটি যদি Past Indefinite (decided) হয় এবং অন্য অংশটি দ্বারা কোনো চলমান আবহ বা পটভূমি বোঝায়, তবে সেটি Past Continuous Tense (was shining) হয়। অর্থাৎ, "যেহেতু সূর্য কিরণ দিচ্ছিল, আমি বাইরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।"
২৯. He gave up --- football when he got married.
ক) to play
খ) playing
গ) play
ঘ) of playing
সঠিক উত্তরঃ খ) playing
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) to play: 'Give up' এর পর ইনফিনিটিভ (to play) বসে না।
খ) playing: এটিই সঠিক উত্তর। ইংরেজিতে 'Give up' একটি গ্রুপ ভার্ব বা ফ্রেজ যার অর্থ কোনো অভ্যাস বা কাজ "ছেড়ে দেওয়া বা ত্যাগ করা"। গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, 'give up' প্রিপজিশনাল ফ্রেজ হওয়ায় এর ঠিক পরে কোনো ভার্ব আসলে তার সাথে ing যুক্ত করে জেরাড্ড (Gerund) করতে হয়।
গ) play: প্রিপজিশনের পর সরাসরি ভার্বের বেস ফর্ম বসে না।
ঘ) of playing: 'Give up' এর পর নতুন করে আর কোনো 'of' প্রিপজিশন বসানোর প্রয়োজন নেই।
৩০. I have --- interest in the matter.
ক) not
খ) any
গ) none
ঘ) no
সঠিক উত্তরঃ ঘ) no
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
not : এটি একটি Adverb, যা সাধারণত কোনো Verb বা Adjective-কে মডিফাই করতে বসে। সরাসরি 'interest' নাউনের আগে 'not' বসে না।
any : সাধারণত প্রশ্নবোধক বা না-বোধক (Negative) বাক্যে 'any' বসে। এই বাক্যের সাধারণ গঠনে সরাসরি 'any' মানানসই নয়।
none : এটি নিজেই একটি প্রোনাউন হিসেবে কাজ করে, যার পর সরাসরি নতুন কোনো নাউন (interest) বসে না।
no : এটিই সঠিক উত্তর। 'No' হলো একটি Adjective, যা সরাসরি কোনো Noun (যেমন এখানে 'interest')-এর পূর্বে বসে তাকে মডিফাই করতে পারে।
৩১. --- is not the only thing that tourists want to see.
ক) A scenery
খ) Sceneries
গ) The sceneries
ঘ) Scenery
সঠিক উত্তরঃ ঘ) Scenery
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
A scenery : 'Scenery' একটি Abstract বা Uncountable noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য), তাই এর আগে 'A' বা 'An' আর্টিকেল বসে না।
Sceneries : Uncountable noun হওয়ার কারণে 'Scenery'-এর কোনো প্লুরাল বা বহুবচন রূপ হয় না। তাই 'Sceneries' শব্দটি সম্পূর্ণ ভুল।
The sceneries : যেহেতু শব্দটির প্লুরাল রূপই হয় না, তাই 'The sceneries' বসার কোনো সুযোগ নেই।
Scenery : এটিই সঠিক উত্তর। Uncountable noun হিসেবে এর কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে সরাসরি 'Scenery' বসবে।
৩২. Just now he --- his dinner but he says he will see you when he's finished.
ক) is having
খ) has had
গ) was having
ঘ) had
সঠিক উত্তরঃ খ) has had
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
is having : বাক্যে 'Just now' থাকার কারণে এটি চলমান বা Present Continuous টেন্স প্রকাশ করে না।
has had : এটিই সঠিক উত্তর। ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, বাক্যে just, yet, already, recently, just now ইত্যাদি থাকলে বাক্যটি Present Perfect Tense হয়। Present Perfect-এর গঠন (S + have/has + V3) অনুযায়ী এখানে 'has had' বসবে (এখানে প্রথম has সাহায্যকারী ভার্ব এবং দ্বিতীয় had হলো খাওয়া বা eat অর্থে মূল ভার্বের Past Participle)।
was having : এটি Past Continuous টেন্স, যা 'just now' নিয়মের সাথে সাংঘর্ষিক।
had : এটি Past Indefinite টেন্স, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
৩৩. The children were entrusted --- the care of their uncle.
ক) with
খ) for
গ) to
ঘ) at
সঠিক উত্তরঃ গ) to
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
with : 'Entrusted with' তখন বসে যখন কোনো ব্যক্তিকে কোনো কিছুর দায়িত্ব দেওয়া হয় (যেমন: entrusted with a responsibility)। কিন্তু এখানে শিশুদেরকে চাচার দায়িত্বে অর্পণ করার কথা বলা হয়েছে।
for : Entrust-এর সাথে 'for' প্রিপজিশনটির এমন কোনো ফ্রেজ বা ব্যবহার ইংরেজিতে নেই।
to : এটিই সঠিক উত্তর। এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কাউকে অন্য কারও দায়িত্বে বা তত্ত্বাবধানে অর্পণ করার ক্ষেত্রে 'Entrust to' বসে। এখানে শিশুদেরকে তাদের চাচার দায়িত্বে (care) অর্পণ করা হয়েছে।
at : 'Entrust at' এর কোনো ব্যবহার ইংরেজি ব্যাকরণে দেখা যায় না।
৩৪. He parted --- his friends in tears.
ক) with
খ) from
গ) against
ঘ) beside
সঠিক উত্তরঃ খ) from
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
with : এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বস্তু বা সম্পত্তি ত্যাগ করা বা নিজের থেকে আলাদা করার ক্ষেত্রে 'Part with' বসে। বন্ধুদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
from : এটিই সঠিক উত্তর। কোনো ব্যক্তি বা আপনজনের কাছ থেকে বিদায় নেওয়া বা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এপ্রোপ্রিয়েট প্রিপজিশন 'Part from' বসে। বাক্যটির অর্থ: সে অশ্রুসিক্ত চোখে বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিল।
against : 'Part against' বলে কোনো প্রিপজিশনাল ফ্রেজ ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয় না।
beside : এটি পাশে থাকা নির্দেশ করে, যা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভাবার্থের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
৩৫. 'I'll have a cup of tea,' my father said, 'Because I'm not hungry.' Which of the following sentence is the correct indirect speech?
ক) My father said that he will have a cup of tea because he wasn't hungry.
খ) My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry.
গ) My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
ঘ) My father said that he had a cup of tea because he wasn't hungry.
সঠিক উত্তরঃ গ) My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
My father said that he will have a cup of tea because he wasn't hungry. : রিপোর্টিং ভার্বটি অতীতে (said) থাকায় রিপোর্টেড স্পীচের 'will' পরিবর্তিত হয়ে 'would' হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এখানে 'will' রাখা হয়েছে যা ভুল।
My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry. : এখানে 'would have had' ব্যবহার করে পারফেক্ট কন্ডিশনাল করা হয়েছে, যা মূল বাক্যের টেন্সের নিয়মের বাইরে।
My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry. : এটিই সঠিক উত্তর। ন্যারেশনের নিয়ম অনুযায়ী, রিপোর্টিং ভার্ব Past Tense (said) হলে ভেতরের 'will' পরিবর্তিত হয়ে 'would' হয়, 'I' পরিবর্তিত হয়ে সাবজেক্ট অনুযায়ী 'he' হয় এবং 'am not' পরিবর্তিত হয়ে 'wasn't' হয়। এই বাক্যে সব নিয়ম সঠিকভাবে মানা হয়েছে।
My father said that he had a cup of tea because he wasn't hungry. : এখানে 'will have' অংশটিকে সরাসরি 'had' করে দেওয়া হয়েছে, যা ন্যারেশনের সঠিক নিয়ম নয়।
৩৬. The expression 'Lingua franca' means ---
ক) The common language.
খ) The first language
গ) International language.
ঘ) The French language.
সঠিক উত্তরঃ ক) The common language.
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
The common language. : এটিই সঠিক উত্তর। 'Lingua franca' (লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা) একটি ল্যাটিন ফ্রেজ, যার অর্থ হলো এমন একটি সাধারণ ভাষা (Common language) যা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষ নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে।
The first language : এর অর্থ প্রথম ভাষা বা মাতৃভাষা (Mother tongue), যা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কার অর্থ নয়।
International language. : এর অর্থ আন্তর্জাতিক ভাষা। সব আন্তর্জাতিক ভাষাই লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা নাও হতে পারে, এটি মূলত যেকোনো অঞ্চলের সাধারণ যোগাযোগ মাধ্যমকে বোঝায়।
The French language. : এর অর্থ ফরাসি ভাষা। নামের সাথে মিল থাকলেও এটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের ভাষা নয়।
৩৭. Choose the correct meaning: He raised his eyebrow at my explanation.
ক) show surprise or disapproval.
খ) show agreement.
গ) show happiness.
ঘ) show indifference.
সঠিক উত্তরঃ ক) show surprise or disapproval.
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
show surprise or disapproval. : এটিই সঠিক উত্তর। ইংরেজিতে 'Raise one's eyebrow' (কপালে চোখ তোলা) একটি প্রচলিত ইডিয়ম। এর অর্থ হলো কোনো কিছুতে হঠাৎ অবাক হওয়া (Surprise) কিংবা কোনো কথার প্রতি দ্বিমত বা অসন্তোষ (Disapproval) প্রকাশ করা।
show agreement. : এর অর্থ একমত হওয়া। কপালে চোখ তোলা দ্বারা একমত হওয়া বোঝায় না।
show happiness. : এর অর্থ সুখ বা আনন্দ প্রকাশ করা, যা এই ইডিয়মের সাথে মিলে না।
show indifference. : এর অর্থ উদাসীনতা বা কোনো ভ্রূক্ষেপ না করা, যা ভ্রূ কুঁচকানোর অভিব্যক্তির সাথে যায় না।
৩৮. 'Razzmatazz' means ---
ক) A musical instrument
খ) A well-planned programme
গ) A noisy activity
ঘ) A musical activity.
সঠিক উত্তরঃ গ) A noisy activity
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
A musical instrument : এর অর্থ বাদ্যযন্ত্র। এটি কোনো বাদ্যযন্ত্রের নাম নয়।
A well-planned programme : এর অর্থ সুপরিকল্পিত অনুষ্ঠান। Razzmatazz সাধারণত বিশৃঙ্খল বা কোলাহলপূর্ণ কিছুকে বোঝায়।
A noisy activity : এটিই সঠিক উত্তর। 'Razzmatazz' शब्दটির আসল অর্থ হলো প্রচুর হৈচৈ, জাঁকজমক, কোলাহলপূর্ণ বা উত্তেজনাপূর্ণ কর্মকাণ্ড (A lot of noisy or exciting activity)।
A musical activity. : এর অর্থ সংগীত বিষয়ক কর্মকাণ্ড। যদিও এটি আনন্দের সাথে যুক্ত, তবে সরাসরি শুধু সংগীতের সাথে এর সম্পর্ক নেই।
৩৯. The antonym for 'Recalcitrant'---
ক) Compliant
খ) Passive
গ) Indifferent
ঘ) Careful
সঠিক উত্তরঃ ক) Compliant
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
Compliant : এটিই সঠিক উত্তর। 'Recalcitrant' শব্দের অর্থ হলো অবাধ্য, একগুঁয়ে বা আইন অমান্যকারী (stubborn)। এর ঠিক বিপরীত বা antonym হলো 'Compliant', যার অর্থ বাধ্য, নম্র বা অনুগত।
Passive : এর অর্থ নিষ্ক্রিয় বা কর্মবিমুখ, যা অবাধ্য শব্দের সরাসরি বিপরীত নয়।
Indifferent : এর অর্থ উদাসীন বা নিরপেক্ষ।
Careful : এর অর্থ সতর্ক বা যত্নবান।
৪০. The synonym for 'Obdurate'---
ক) Deceitful
খ) Stubborn
গ) Sly
ঘ) Swindler
সঠিক উত্তরঃ খ) Stubborn
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
Deceitful : এর অর্থ প্রতারণাপূর্ণ বা ছলনাকারী।
Stubborn : এটিই সঠিক উত্তর। 'Obdurate' শব্দের অর্থ হলো একগুঁয়ে, অবাধ্য বা জেদি। এর সমার্থক শব্দ বা synonym হলো 'Stubborn'।
Sly : এর অর্থ চতুর, ধূর্ত বা শিয়ালসুলভ।
Swindler : এর অর্থ প্রতারক বা জুয়াচোর।
৪১. বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে 'বীর উত্তম' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
ক) ২৫৭ জন
খ) ১৬৩ জন
গ) ৪৪ জন
ঘ) ৬৮ জন
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ৬৮ জন [২০২৬ সালের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
২৫৭ জনঃ এটি বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার কাছাকাছি একটি সংখ্যা (মূল সংখ্যা ৪২৬ জন)।
১৬৩ জনঃ এটি বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার কাছাকাছি একটি সংখ্যা (মূল সংখ্যা ১৭৫ জন)।
৪৪ জনঃ এই সংখ্যাটি খেতাবের মূল তালিকার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ঘ) ৬৮ জনঃ স্বাধীনতার পর মোট ৬৮ জনকে 'বীর উত্তম' খেতাব দেওয়া হয়েছিল। তবে [২০২৬ সালের বর্তমান আপডেট] অনুযায়ী, ২০২১ সালে খেতাব বাতিলের পর বর্তমানে গেজেটভুক্ত বীর উত্তম খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৮ জন (মূল তালিকায় থাকা ৪ জনের খেতাব বাতিল হওয়ায় মোট খেতাবধারী ৬৭৬ জন থেকে কমে এখন ৬৭২ জন)।
৪২. জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?
ক) অ্যামোনিয়া
খ) টিএসপি
গ) ইউরিয়া
ঘ) সুপার ফসফেট
সঠিক উত্তরঃ গ) ইউরিয়া
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
অ্যামোনিয়াঃ এটি সার তৈরির একটি অন্যতম প্রধান কাঁচামাল বা গ্যাস, এটি চূড়ান্ত সার নয়।
টিএসপিঃ ট্রিপল সুপার ফসফেট (TSP) সার মূলত চট্টগ্রামের টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেডে উৎপাদিত হয়।
ইউরিয়াঃ এটিই সঠিক উত্তর। জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত এই সার কারখানাটিতে (যার বর্তমান নাম আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লি.) প্রধানত ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
সুপার ফসফেটঃ এটি ফসফরাস সমৃদ্ধ এক ধরণের সার, যা এই কারখানার মূল উৎপাদিত পণ্য নয়।
৪৩. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
ক) জয়নুল আবেদিন
খ) কামরুল হাসান
গ) হামিদুর রহমান
ঘ) হাশেম খান
সঠিক উত্তরঃ খ) কামরুল হাসান
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
জয়নুল আবেদিনঃ তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলা আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং একজন কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী (শিল্পাচার্য), তবে তিনি জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাকার নন।
কামরুল হাসানঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত স্কেচ বা নকশা তৈরি করেন পটূয়া কামরুল হাসান। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পূর্বে প্রথম পতাকার খসড়া মানচিত্রের নকশা করেছিলেন শিবনারায়ণ দাশ।
হামিদুর রহমানঃ তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি বা ডিজাইনার।
হাশেম খানঃ তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী এবং বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইনার।
৪৪. কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?
ক) আয়কর
খ) আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
গ) ভূমি রাজস্ব
ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তরঃ ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
আয়করঃ এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস (প্রত্যক্ষ কর)।
আমদানি ও রপ্তানি শুল্কঃ এটি বাণিজ্য শুল্কের আওতাভুক্ত, যা আয়ের অন্যতম উৎস হলেও সর্বোচ্চ নয়।
ভূমি রাজস্বঃ এটি জমি থেকে প্রাপ্ত কর, যা মোট রাজস্ব আয়ের তুলনায় খুবই কম।
मूल্য সংযোজন করঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলাদেশ সরকারের পরোক্ষ করের মধ্যে 'মূল্য সংযোজন কর' বা ভ্যাট (VAT) থেকে প্রতি বছর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ রাজস্ব অর্জিত হয়।
৪৫. বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?
ক) সেন্টমার্টিন
খ) মহেশখালী
গ) হাতিয়া
ঘ) সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তরঃ ক) সেন্টমার্টিন
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
সেন্টমার্টিনঃ এটিই সঠিক উত্তর। কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপকূল থেকে দক্ষিণে অবস্থিত সেন্টমার্টিন দ্বীপটি বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ (Coral Island)।
মহেশখালীঃ এটি বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
হাতিয়াঃ এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত নোয়াখালী জেলার একটি বড় পলিগঠিত দ্বীপ।
সন্দ্বীপঃ এটি বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত চট্টগ্রাম জেলার একটি অত্যন্ত প্রাচীন ও ঐতিহাসিক দ্বীপ।
৪৬. 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
ক) ২৭
খ) ২৮
গ) ৩০
ঘ) ৪৭
সঠিক উত্তরঃ ক) ২৭
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
২৭ঃ টিই সঠিক উত্তর। বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার অংশের '২৭ নম্বর অনুচ্ছেদে' আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমতার কথা বলা হয়েছে।
২৮ঃ এই অনুচ্ছেদে ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করতে পারবে না-তা বর্ণিত আছে।
৩০ঃ এই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রীয় অনুমতি ছাড়া বিদেশি খেতাব, সম্মান বা পদক গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ বিষয়ে বলা হয়েছে।
৪৭ঃ এই অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত বা বিশেষ কিছু আইনের কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
৪৭. মহিলা পুলিশ প্রথম নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
ক) ১৯৭২ সালে
খ) ১৯৭৪ সালে
গ) ১৯৭৬ সালে
ঘ) ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তরঃ গ) ১৯৭৬ সালে [বিশেষ নোটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৯৭২ সালেঃ এই সময়ে পুলিশ বাহিনী পুনর্গঠন শুরু হলেও মহিলা পুলিশ নিয়োগের কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।
১৯৭৪ সালেঃ ১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম সাদা পোশাকে (ডিটেকটিভ ও স্পেশাল ব্রাঞ্চে) ১৪ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগের আদেশ হলেও ইউনিফর্মধারী পুলিশ নিয়োগ তখনো হয়নি।
১৯৭৬ সালেঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯৭৬ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে (DMP) প্রথম ইউনিফর্ম বা পোশাকধারী মহিলা পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৯৭৮ সালেঃ এই সালে মহিলা পুলিশ নিয়োগের কোনো বিশেষ নতুন ব্যাচ বা ঐতিহাসিক পরিবর্তন হয়নি।
৪৮. সম্প্রতি গার্মেন্টসসহ কতিপয় দ্রব্য শুল্কমুক্তভাবে কোন দেশে প্রবেশাধিকার পেয়েছে?
ক) যুক্তরাজ্য
খ) কানাডা
গ) জাপান
ঘ) চীন
সঠিক উত্তরঃ ঘ) চীন [২০২৬ সালের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
যুক্তরাজ্যঃ যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে জিএসপি (GSP) সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়, তবে এটি সাম্প্রতিক বা শতভাগ পণ্যের ক্ষেত্রে নয়।
কানাডাঃ কানাডা ২০০৩ সাল থেকেই বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা (DFQF) দিয়ে আসছে।
জাপানঃ জাপানও বাংলাদেশকে বেশ কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়।
ঘ) চীনঃ এটিই সঠিক উত্তর। এই প্রশ্নটি যখন তৈরি হয় (২০০৩ সালের পরীক্ষা), তখন চীন বাংলাদেশকে এই বিশেষ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছিল। তবে [২০২৬ সালের বর্তমান আপডেট] অনুযায়ী, চীন বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় ৯৮% থেকে ১০০% পণ্যে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত এবং কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধা দিচ্ছে।
৪৯. স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
খ) লালবাগের কেল্লা
গ) সোনা মসজিদ
ঘ) শহীদ মিনার
সঠিক উত্তরঃ ঘ) শহীদ মিনার
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
জাতীয় স্মৃতিসৌধঃ স্মৃতিসৌধের ছবি পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন স্মারক ডাকটিকিটে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে এটি প্রথম ডাকটিকিটে ছিল না।
লালবাগের কেল্লাঃ এটি প্রথম ডাকটিকিটের মূল ছবি ছিল না।
সোনা মসজিদঃ এটিও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন অঙ্কের ডাকটিকিটে দেখা গেছে।
শহীদ মিনারঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই প্রবাসে (যুক্তরাজ্যে) বাংলাদেশের প্রথম যে ৮টি ডাকটিকিটের সেট প্রকাশিত হয়েছিল, তার মধ্যে ২০ পয়সা মূল্যমানের প্রথম ডাকটিকিটটিতে কেন্দ্রীয় 'শহীদ মিনার'-এর ছবি ছিল। এর ডিজাইনার ছিলেন বিমান মল্লিক।
৫০. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?
ক) জাতীয় জাদুঘর
খ) জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘর
গ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ঘ) ঢাকা নগর জাদুঘর
সঠিক উত্তরঃ গ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
জাতীয় জাদুঘরঃ ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দেশের সর্ববৃহৎ জাদুঘর, তবে এটি প্রথম নয় (প্রতিষ্ঠা: ১৯১৩ সালে ঢাকা জাদুঘর হিসেবে)।
জাতীয় বিজ্ঞান জাদুঘরঃ এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারে ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত 'বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর' হলো বাংলাদেশের তথা তৎকালীন পূর্ববঙ্গের সর্বপ্রথম এবং প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।
ঢাকা নগর জাদুঘরঃ এটি ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে অনেক পরে (১৯৮৭ সালে) প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষায়িত জাদুঘর।
৫১. ২০০৩-০৪ সনের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট ব্যয় ---
ক) ২০,৩০০ কোটি টাকা
খ) ১৯,২০০ কোটি টাকা
গ) ১৭,১০০ কোটি টাকা
ঘ) ১৯,৫০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তরঃ খ) ১৯,২০০ কোটি টাকা [বাজেটের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) ২০,৩০০ কোটি টাকা ঃ এটি মূল বাজেটের সংশোধিত বা অন্য কোনো খাতের বরাদ্দের কাছাকাছি সংখ্যা।
খ) ১৯,২০০ কোটি টাকা ঃ এটিই সঠিক উত্তর। ২০০৩-০৪ অর্থবছরের মূল বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৯,২০০ কোটি টাকা।
গ) ১৭,১০০ কোটি টাকা ঃ এটি এই অর্থবছরের উন্নয়ন ব্যয়ের চূড়ান্ত হিসাব বা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নয়।
ঘ) ১৯,৫০০ কোটি টাকা ঃ এটিও ওই সময়কার প্রস্তাবিত অন্য কোনো উপ-খাতের হিসাবের সাথে সম্পর্কিত।
[২০২৬ সালের বর্তমান আপডেট]-- বর্তমান বাংলাদেশের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (ADP) আকার ২ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি হয়ে থাকে (যেমনঃ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য এডিপি-র আকার ছিল ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা)।
৫২. বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর ---
ক) সোনা মসজিদ
খ) চট্টগ্রাম
গ) বেনাপোল
ঘ) হিলি
সঠিক উত্তরঃ গ) বেনাপোল
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
সোনা মসজিদঃ এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর, যা মূলত ভারত থেকে পাথর ও ফল আমদানির জন্য বিখ্যাত, তবে এটি বৃহত্তম নয়।
চট্টগ্রামঃ চট্টগ্রাম মূলত বাংলাদেশের প্রধান এবং সর্ববৃহৎ 'সমুদ্রবন্দর' (Seaport), এটি কোনো স্থলবন্দর নয়।
বেনাপোলঃ এটিই সঠিক উত্তর। যশোর জেলায় অবস্থিত 'বেনাপোল' হলো বাংলাদেশের প্রধান, ব্যস্ততম এবং সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর (Land Port)। ভারতের সাথে স্থলপথের সিংহভাগ বাণিজ্য এই বন্দরের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
হিলিঃ এটি দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর।
৫৩. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের কবর এই জেলায় ---
ক) নাটোর
খ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
গ) জয়পুরহাট
ঘ) নওগাঁ
সঠিক উত্তরঃ খ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
নাটোরঃ নাটোর উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে কোনো বীরশ্রেষ্ঠের সমাধি বা কবর নেই।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ঃ এটিই সঠিক উত্তর। মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীরসেনানী বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জের রেহাইচরে সম্মুখযুদ্ধে শহীদ হন। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) তাঁকে সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়।
জয়পুরহাটঃ এই জেলায় কোনো বীরশ্রেষ্ঠের সমাধি অবস্থিত নয়।
নওগাঁঃ নওগাঁ জেলাতেও কোনো বীরশ্রেষ্ঠের কবর বা সমাধি নেই।
৫৪. মার্কিন ডলারে ২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায় --
ক) ৮ বিলিয়ন
খ) ৬ বিলিয়ন
গ) ৫ বিলিয়ন
ঘ) ৭ বিলিয়ন
সঠিক উত্তরঃ খ) ৬ বিলিয়ন [রপ্তানি আয়ের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) ৮ বিলিয়নঃ এটি ২০০১-০২ সালের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বা প্রকৃত হিসাবের ধারেকাছে ছিল না।
খ) ۶ বিলিয়নঃ এটিই সঠিক উত্তর। ২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৫.৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলারের সমান।
গ) ৫ বিলিয়নঃ এই সংখ্যাটি ওই সময়ের প্রকৃত রপ্তানি আয়ের চেয়ে বেশ কম।
ঘ) ৭ বিলিয়নঃ এটি পরবর্তী কোনো অর্থবছরের আয়ের কাছাকাছি হিসাব।
[২০২৬ সালের বর্তমান আপডেট]--- বর্তমান বাংলাদেশে বার্ষিক রপ্তানি আয় বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের বার্ষিক মোট রপ্তানি আয় প্রায় ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি (যার মধ্যে তৈরি পোশাক খাত থেকেই আসে সিংহভাগ আয়)।
৫৫. সম্প্রতি 'সাফ' ফুটবলে এই দেশের সাথে খেলে বাংলাদেশ শিরোপা পায় ---
ক) মালদ্বীপ
খ) ভারত
গ) পাকিস্তান
ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তরঃ ক) মালদ্বীপ [সাফ ফুটবলের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
মালদ্বীপঃ এটিই সঠিক উত্তর। ২০০৩ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ৩য় সাফ (SAFF) চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ টাইব্রেকারে মালদ্বীপকে ৫-৩ (১-১) গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক সাফের শিরোপা জয় করেছিল।
ভারতঃ ভারত সাফের সবচেয়ে সফল দল। তবে ২০০৩ সালের সাফে বাংলাদেশ ভারতকে সেমিফাইনালে হারিয়েছিল, ফাইনালে নয়।
পাকিস্তানঃ পাকিস্তান এই টুর্নামেন্টের আয়োজক বা রানার্স-আপ হিসেবে বাংলাদেশের এই শিরোপা জয়ের ফাইনালে ছিল না।
নেপালঃ নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশ পুরুষ দল সাফ জেতেনি। তবে সাম্প্রতিক ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল (সাফ উইমেন্স) নেপালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
৫৬. বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় ---
ক) পঞ্চগড়
খ) দিনাজপুর
গ) কুড়িগ্রাম
ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তরঃ ক) পঞ্চগড়
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
পঞ্চগড়ঃ এটিই সঠিক উত্তর। বাংলাদেশের সমতল ভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে চা চাষের সফল বিপ্লব ঘটেছে পঞ্চগড় জেলায়। ২০০০ সালের দিকে এখানে প্রথম চা চাষের সূচনা হয় এবং বর্তমানে এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা উৎপাদনকারী অঞ্চল।
দিনাজপুরঃ দিনাজপুর লিচু এবং ধানের জন্য বিখ্যাত হলেও সেখানে বাণিজ্যিকভাবে বড় কোনো চা বাগান গড়ে ওঠেনি।
কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রাম উত্তরাঞ্চলের জেলা হলেও চা চাষের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এটি পরিচিত নয়।
বান্দরবানঃ পার্বত্য জেলা বান্দরবানে কফি ও জুম চাষ ভালো হলেও সমতলের চা চাষের সাম্প্রতিক বড় অগ্রগতি মূলত পঞ্চগড়েই হয়েছে। (উল্লেখ্য, দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া, ১৮৫৪ সাল)।
৫৭. বাংলাদেশের এই জেলায় সম্প্রতি এই প্রথম রেল সংযোগ হয় ---
ক) ময়মনসিংহ
খ) টাঙ্গাইল
গ) বরিশাল
ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তরঃ খ) টাঙ্গাইল [রেলপথের বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহ অঞ্চলে ব্রিটিশ আমল থেকেই অত্যন্ত প্রাচীন ও উন্নত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
টাঙ্গাইলঃ এটিই সঠিক উত্তর। বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু উদ্বোধনের পর ঢাকার সাথে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি রেল যোগাযোগ চালুর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলায় প্রথম রেলপথ ও রেল সংযোগ স্থাপিত হয়।
বরিশালঃ বরিশাল বিভাগ এখনো বাংলাদেশের মূল রেল নেটওয়ার্কের বাইরে রয়েছে। তবে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের কিছু অংশে রেল পৌঁছালেও মূল বরিশাল জেলা এখনো রেল সংযোগের অপেক্ষায়।
সিরাজগঞ্জঃ সিরাজগঞ্জেও যমুনা সেতুর মাধ্যমে নতুন করে সংযোগ জোরালো হয়েছে, তবে টাঙ্গাইলেই একদম প্রথম রেল নেটওয়ার্ক প্রবেশ করার ঘটনাটি ঘটেছিল।
৫৮. আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?
ক) ১৭ এপ্রিল, ২০০২
খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
গ) ১৮ মার্চ, ২০০২
ঘ) ৩ এপ্রিল, ২০০২
সঠিক উত্তরঃ খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৭ এপ্রিল, ২০০২ঃ এটি আইন পাসের সঠিক তারিখ নয়, হয়তো গেজেট বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত।
খ) ৯ এপ্রিল, ২০০২ঃ এটিই সঠিক উত্তর। দেশে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ২০০২ সালের ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদে এই বিশেষ 'দ্রুত বিচার আইন' পাস করা হয়।
১৮ মার্চ, ২০০২ঃএই তারিখে আইনটির খসড়া বা প্রস্তাবনা সম্পর্কিত প্রাথমিক কাজ চলছিল।
৩ এপ্রিল, ২০০২ঃ এই তারিখে আইনটির খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছিল, কিন্তু সংসদে পাস হয় ৯ এপ্রিল।
৫৯. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কি?
ক) কুতুবদিয়া
খ) সোনাদিয়া
গ) সন্দ্বীপ
ঘ) পূর্বাশা
সঠিক উত্তরঃ ঘ) পূর্বাশা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
কুতুবদিয়াঃ এটি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত দ্বীপ, যা বাতিঘর এবং লবণ চাষের জন্য পরিচিত।
সোনাদিয়াঃ এটিও কক্সবাজারের একটি সুন্দর দ্বীপ, যা পরিযায়ী পাখি ও সামুদ্রিক কচ্ছপের জন্য বিখ্যাত।
সন্দ্বীপঃ এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত মেঘনা নদীর মোহনার একটি অত্যন্ত প্রাচীন ঐতিহাসিক দ্বীপ।
পূর্বাশাঃ এটিই সঠিক উত্তর। হাঁড়িভাঙ্গা নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত (বর্তমানে তলিয়ে যাওয়া) দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটিকে ভারত ভূখণ্ডে 'পূর্বাশা' বা 'নিউমুর' (New Moore Island) দ্বীপ নামে ডাকা হতো।
৬০. হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?
ক) রাঙ্গামাটি
খ) খাগড়াছড়ি
গ) বান্দরবান
ঘ) সন্দ্বীপ
সঠিক উত্তরঃ খ) খাগড়াছড়ি
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
রাঙ্গামাটিঃ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় কাপ্তাই হ্রদ ও সাজেক ভ্যালি অবস্থিত, তবে হালদা ভ্যালি এখানে নয়।
খাগড়াছড়িঃ এটিই সঠিক উত্তর। হালদা ভ্যালি বা হালদা উপত্যকা খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত উপত্যকা, যেখান থেকে হালদা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।
বান্দরবানঃ বান্দরবান জেলায় চিম্বুক পাহাড়, বগালেক ও সাঙ্গু নদী অবস্থিত।
সন্দ্বীপঃ এটি একটি দ্বীপ অঞ্চল, কোনো পাহাড়ি উপত্যকা বা ভ্যালি নয়।
৬১. আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী 'প্যারিস প্যাক্ট' স্বাক্ষরিত হয় ---
ক) ১৯২৭ সালের ১২ আগস্ট
খ) ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
গ) ১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বর
ঘ) ১৯২৯ সালের ৫ জানুয়ারি
সঠিক উত্তরঃ খ) ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৯২৭ সালের ১২ আগস্টঃ এই তারিখে প্যারিস প্যাক্ট সম্পর্কিত কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
খ) ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্টঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট ফ্রান্সের প্যারিসে এই ঐতিহাসিক 'প্যারিস প্যাক্ট' (যা ক্যলগ-ব্রিয়ান্ড চুক্তি নামেও পরিচিত) স্বাক্ষরিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে যুদ্ধের ব্যবহার বর্জন করা।
১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বরঃ এটি চুক্তি স্বাক্ষরের সঠিক সময় নয়।
ঘ) ১৯২৯ সালের ৫ জানুয়ারিঃ ১৯২৯ সালের ২৪ জুলাই চুক্তিটি কার্যকর হয়, তবে এটি স্বাক্ষরের তারিখ নয়।
৬২. যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত ---
ক) 'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
খ) 'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
গ) 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
ঘ) 'পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
সঠিক উত্তরঃ গ) 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
'দুটি রেডক্রস কনভেনশন' নামেঃ এটি ভুল তথ্য, কারণ চুক্তির সংখ্যা দুটি ছিল না।
'তিনটি রেডক্রস কনভেনশন' নামেঃ এটিও ঐতিহাসিক চুক্তির সংখ্যার সাথে মেলে না।
গ) 'চারটি রেডক্রস কনভেনশন' নামেঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট যুদ্ধাহত সৈনিক এবং যুদ্ধবন্দিদের অধিকার ও মানবিক সুরক্ষার জন্য ৪টি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা সমষ্টিগতভাবে 'চারটি জেনেভা কনভেনশন' বা রেডক্রস কনভেনশন নামে পরিচিত।
'পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন' নামেঃ এটিও ভুল তথ্য, মূল কনভেনশনের সংখ্যা ৫টি ছিল না।
৬৩. স্থায়ী সালিশী আদালত কোথায় অবস্থিত?
ক) জেনেভায়
খ) লন্ডনে
গ) প্যারিসে
ঘ) হেগে
সঠিক উত্তরঃ ঘ) হেগে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
জেনেভায়ঃ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) মতো অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
লন্ডনেঃ যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কমনওয়েলথ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর অবস্থিত।
প্যারিসেঃ ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো (UNESCO)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
ঘ) হেগেঃ এটিই সঠিক উত্তর। নেদারল্যান্ডসের 'দ্য হেগ' (The Hague) শহরে স্থায়ী সালিশী আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA) অবস্থিত। এটি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিরোধ ও সীমানা সমস্যা নিষ্পত্তিতে কাজ করে।
৬৪. মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কখন আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
ক) ১৯৫০ সালে
খ) ১৯৫৫ সালে
গ) ১৯৬৫ সালে
ঘ) ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ১৯৬৬ সালে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৯৫০ সালেঃ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র (UDHR) গৃহীত হয়েছিল, তবে ১৯৬৬ সালের আগে মূল চুক্তিটি হয়নি।
১৯৫৫ সালেলঃ এই বছর মানবাধিকারের মূল কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি।
১৯৬৫ সালেঃ এই বছর বর্ণবৈষম্য দূরীকরণ সংক্রান্ত চুক্তি হলেও মূল দুটি মানবাধিকার চুক্তি এই সময়ে হয়নি।
ঘ) ১৯৬৬ সালেঃ এটিই সঠিক উত্তর। মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘ দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করে। একটি হলো নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি এবং অন্যটি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার চুক্তি।
৬৫. ইসিএ (ECA)-এর সদর দপ্তর কোথায়?
ক) আদ্দিস আবাবা
খ) নাইরোবি
গ) ঢাকা
ঘ) কায়রো
সঠিক উত্তরঃ ক) আদ্দিস আবাবা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
আদ্দিস আবাবাঃ এটিই সঠিক উত্তর। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক কমিশন ফর আফ্রিকা (Economic Commission for Africa - ECA)-এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী 'আদ্দিস আবাবা'-তে অবস্থিত। এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
নাইরোবিঃ কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
ঢাকাঃ বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় সিআইআরডিএপি (CIRDAP) বা সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্রের মতো আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, আফ্রিকার কোনো সংস্থার নয়।
কায়রোঃ মিশরের রাজধানী কায়রোতে আরব লীগ (Arab League)-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
৬৬. 'ডেটন শান্তিচুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় ---
ক) ১৯৯০ সালে
খ) ১৯৯১ সালে
গ) ১৯৯২ সালে
ঘ) ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ১৯৯৫ সালে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৯৯০ সালেঃ এই সময়ে বসনিয়া যুদ্ধ শুরুই হয়নি, তাই শান্তিচুক্তির প্রশ্ন আসে না।
১৯৯১ সালেঃ এই বছর সাবেক যুগোস্লাভিয়ার ভাঙন এবং অস্থিরতা শুরু হয়েছিল মাত্র।
১৯৯২ সালেঃ এই সময়ে বসনিয়ার গৃহযুদ্ধ চূড়ান্ত রূপ ধারণ করেছিল।
ঘ) ১৯৯৫ সালেঃ এটিই সঠিক উত্তর। বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ অবসান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেটন শহরে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় এবং একই বছরের ১৪ ডিসেম্বর প্যারিসে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়।
৬৭. কোন চুক্তির মাধ্যমে ইইসি (EEC) প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
ক) রোম চুক্তি
খ) ম্যাসট্রিচ চুক্তি
গ) ভিয়েনা কনভেনশন
ঘ) ব্রাসেলস্ কনভেনশন
সঠিক উত্তরঃ ক) রোম চুক্তি
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
রোম চুক্তিঃ এটিই সঠিক উত্তর। ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক 'রোম চুক্তি' (Treaty of Rome)-এর মাধ্যমে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সম্প্রদায় বা European Economic Community (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বর্তমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) ভিত্তি।
ম্যাসট্রিচ চুক্তিঃ ১৯৯২ সালের এই চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় এবং ইইসি (EEC) নামটি বিলুপ্ত হয়ে ইসি (EC) হয়।
ভিয়েনা কনভেনশনঃ এটি মূলত কূটনৈতিক সম্পর্ক ও চুক্তি সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক কনভেনশন (১৯৬১)।
ব্রাসেলস্ কনভেনশনঃ এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যকার অন্য একটি বিশেষ চুক্তি ব্যবস্থা, যা ইইসি প্রতিষ্ঠার মূল চুক্তি নয়।
৬৮. MIGA কখন গঠিত হয়?
ক) ১৯৮০ সালে
খ) ১৯৮২ সালে
গ) ১৯৮৫ সালে
ঘ) ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ১৯৮৮ সালে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
১৯৮০ সালেঃ এই সময়ে এই সংস্থাটি গঠনের কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কাঠামো তৈরি হয়নি।
১৯৮২ সালেঃ এটিও বিশ্বব্যাংকের এই সহযোগী সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার সঠিক বছর নয়।
১৯৮৫ সালেঃ এই সময়ে সংস্থাটির রূপরেখা নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক গঠন সম্পন্ন হয়নি।
ঘ) ১৯৮৮ সালেঃ এটিই সঠিক উত্তর। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অন্যতম অঙ্গসংস্থা 'MIGA' (Multilateral Investment Guarantee Agency) ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করা ও নিরাপত্তা দেওয়া।
৬৯. বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত ---
ক) নিউয়র্কে
খ) শিকাগোতে
গ) টোকিওতে
ঘ) লন্ডনে
সঠিক উত্তরঃ গ) টোকিওতে [বিকল্প শহরঃ ইয়োকোহামা]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
নিউয়র্কেঃ নিউয়র্কে বিখ্যাত এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এবং স্ট্যাচু অফ লিবার্টি অবস্থিত।
শিকাগোতেঃ শিকাগো শহরটি তার অসাধারণ গগনচুম্বী উইলিস টাওয়ারের জন্য বিখ্যাত।
গ) টোকিওতেঃ এটিই কাছাকাছি সঠিক উত্তর। জাপানের টোকিও মেট্রোপলিটন এলাকার অন্তর্গত 'ইয়োকোহামা' (Yokohama) শহরে এই বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ারটি অবস্থিত। এটি ১৯৯৩ সালে নির্মিত হয় এবং এর উচ্চতা প্রায় ২৯৬.৩ মিটার।
লন্ডনেঃ লন্ডনে বিখ্যাত বিগ বেন ও দ্য শার্ড টাওয়ার অবস্থিত।
৭০. 'হ্যারি পটার' কি?
ক) এক জাতীয় ধাতব পাত্র
খ) সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
গ) একজাতীয় গুচ্ছবোমা
ঘ) এক ধরনের খেলনা
সঠিক উত্তরঃ খ) সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বই
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
এক জাতীয় ধাতব পাত্রঃ হ্যারি পটার কোনো বস্তু বা ধাতব পাত্রের নাম নয়।
খ) সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রীত একটি শিশুতোষ বইঃ এটিই সঠিক উত্তর। 'হ্যারি পটার' হলো ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রাওলিং রচিত বিশ্ববিখ্যাত ও সর্বাধিক বিক্রীত একটি ফ্যান্টাসি বা শিশুতোষ জাদুকরী উপন্যাস সিরিজ।
একজাতীয় গুচ্ছবোমাঃ এটি কোনো সামরিক অস্ত্র বা বোমার নাম নয়।
এক ধরনের খেলনাঃ যদিও হ্যারি পটার চরিত্রের ওপর ভিত্তি করে অনেক খেলনা তৈরি হয়েছে, কিন্তু মূলত এটি একটি কালজয়ী বই বা উপন্যাস সিরিজ।
৭১. বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
ক) গ্রিসে
খ) মেসোপটেমিয়ায়
গ) রোমে
ঘ) ভারতে
সঠিক উত্তরঃ খ) মেসোপটেমিয়ায়
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
গ্রিসেঃ গ্রিসে গড়ে উঠেছিল বিখ্যাত গ্রিক সভ্যতা, যা মেসোপটেমিয়ার অনেক পরে বিকশিত হয়।
মেসোপটেমিয়ায়ঃ এটিই সঠিক উত্তর। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে বর্তমান ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্ক অঞ্চলে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
রোমেঃ রোমে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা, যা প্রাচীন হলেও প্রথম বা প্রাচীনতম নয়।
ভারতেঃ সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল প্রাচীন ভারতীয় বা সিন্ধু সভ্যতা।
৭২. ওআইসি-এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক?
ক) বাংলাদেশ
খ) তুরস্ক
গ) মালয়েশিয়া
ঘ) মরক্কো
সঠিক উত্তরঃ ঘ) মরক্কো [বর্তমান আপডেটেড ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
বাংলাদেশঃ বাংলাদেশের কোনো নাগরিক এখন পর্যন্ত ওআইসি (OIC)-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি।
তুরস্কঃ তুরস্কের একমেলুদ্দিন ইহসানোগ্লু ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ওআইসি-এর মহাসচিব ছিলেন।
মালয়েশিয়াঃ মালয়েশিয়ার টুঙ্কু আবদুল রহমান ছিলেন ওআইসি-এর প্রথম মহাসচিব।
ঘ) মরক্কোঃ এই প্রশ্নটি যখন তৈরি হয়েছিল, তখন মরক্কোর ড. ইজ্জুদ্দিন লায়ারাকি মহাসচিব ছিলেন। তবে বর্তমান (২০২৬ সাল) প্রেক্ষাপটে ওআইসি-এর বর্তমান ও দ্বাদশ মহাসচিব হলেন হুসেইন ইব্রাহিম তাহা, যিনি আফ্রিকার দেশ 'চাদ'-এর নাগরিক (তিনি ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন)।
৭৩. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে?
ক) নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোরে
খ) ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়ায়
গ) জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদে
ঘ) সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুনে
সঠিক উত্তরঃ ঘ) সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুনে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোরেঃ ভারতে ডব্লিউটিও-এর কোনো মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়নি।
ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়ায়ঃ এই সময়ে কানাডায় কোনো সম্মেলন হয়নি।
জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদেঃ ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে সার্ক (SAARC) শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, ডব্লিউটিও-এর নয়।
ঘ) সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুনেঃ এটিই সঠিক উত্তর। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স ২০০৩ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর মেক্সিকোর পর্যটন নগরী কানকুনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
৭৪. নিকারাগুয়ার 'কন্ট্রা' বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট ছিল?
ক) যুক্তরাজ্য
খ) যুক্তরাষ্ট্র
গ) কোরিয়া
ঘ) কিউবা
সঠিক উত্তরঃ খ) যুক্তঃ
যুক্তরাজ্যঃ এই বিদ্রোহে যুক্তরাজ্যের সরাসরি কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক সম্পৃক্ততা ছিল না।
যুক্তরাষ্ট্রঃ এটিই সঠিক উত্তর। নিকারাগুয়ার বামপন্থী স্যান্ডিনিস্টা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াকু ডানপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী 'কন্ট্রা'-দের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) অর্থ, অস্ত্র ও সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে সরাসরি সমর্থন ও সহযোগিতা করেছিল।
কোরিয়াঃ এই ঘটনার সাথে উত্তর বা দক্ষিণ কোরিয়ার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
কিউবাঃ কিউবার কমিউনিস্ট সরকার মূলত নিকারাগুয়ার তৎকালীন স্যান্ডিনিস্টা সরকারকে সমর্থন করত, বিদ্রোহীদের নয়।
৭৫. ইসরাইল-প্যালেস্টাইন 'রোডম্যাপ' কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?
ক) সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
খ) দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
গ) দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
ঘ) দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ
সঠিক উত্তরঃ ক) সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করাঃ এটিই সঠিক উত্তর। ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়ার (কোয়ার্টেট) উদ্যোগে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত অবসান ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে 'রোডম্যাপ' শান্তি পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছিল।
দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনঃ এটি কোনো সাধারণ সড়ক বা ট্রাফিক ব্যবস্থার রোডম্যাপ নয়, এটি ছিল একটি ভূ-রাজনৈতিক শান্তি চুক্তি।
দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপনঃ অবাধ বাণিজ্যের চুক্তি বা অর্থনৈতিক এজেন্ডা এই রোড়ম্যাপের মূল লক্ষ্য ছিল না।
দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণঃ সীমানা নির্ধারণের চেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল সহিংসতা থামানো এবং ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।
৭৬. নিচের কোন দেশটি G-8 ভুক্ত দেশ নয়?
ক) ফ্রান্স
খ) যুক্তরাজ্য
গ) রাশিয়া
ঘ) দি নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তরঃ ঘ) দি নেদারল্যান্ডস [G-7 ও G-8 এর বর্তমান আপডেটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলোয় পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ফ্রান্সঃ ফ্রান্স বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ এবং এই জোটের একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
যুক্তরাজ্যঃ যুক্তরাজ্যও এই জোটে প্রথম থেকেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রাশিয়াঃ রাশিয়া ১৯৯৮ সালে এই জোটে যোগ দিলে এর নাম হয়েছিল G-8। তবে ২০১৪ সালে ইউক্রেন সংকটের কারণে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়।
ঘ) দি নেদারল্যান্ডসঃ এটিই সঠিক উত্তর। নেদারল্যান্ডস কখনোই জি-৮ বা জি-৭ জোটের মূল সদস্য দেশ ছিল না। বর্তমানে রাশিয়া বাদ পড়ায় এই জোটটি আবার 'G-7' হিসেবে পরিচিত।
৭৭. 'ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট' নিচের কোন সংস্থাকে বোঝায়?
ক) আইএমএফ
খ) বিশ্বব্যাংক
গ) এডিবি
ঘ) আইডিবি
সঠিক উত্তরঃ ক ও খ উভয়ই (আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক)
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
আইএমএফঃ এটি আংশিক সঠিক। ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে আমেরিকার ব্রেটন উডসে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের মাধ্যমে আইএমএফ (IMF) গঠিত হয়।
বিশ্বব্যাংকঃ এটিও আংশিক সঠিক। একই সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক (World Bank)-ও প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক-এই দুটি সংস্থাকে একত্রে 'ব্রেটন উডস টুইনস' বা ইনস্টিটিউট বলা হয়।
এডিবিঃ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আঞ্চলিক ব্যাংক, এর সাথে ব্রেটন উডসের সম্পর্ক নেই।
আইডিবিঃ ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) ১৯৭৩ সালে জেদ্দায় প্রতিষ্ঠিত হয়, এটিও ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট নয়।
৭৮. প্রথম ক্লোন শিশু 'ইভ'-এর জন্ম তারিখ কত?
ক) নভেম্বর ২০, ২০০২
খ) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
গ) জানুয়ারি ৭, ২০০৩
ঘ) মার্চ ২৩, ২০০৩
সঠিক উত্তরঃ খ) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
নভেম্বর ২০, ২০০২ঃ এটি ক্লোন শিশু ইভের জন্মের সঠিক তারিখ নয়।
খ) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ঃ এটিই সঠিক উত্তর। ২০০২ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ড. ব্রিজিত বোইসেলিয়ার পৃথিবীর প্রথম ক্লোন মানব শিশু 'ইভ' (Eve)-এর জন্মের ঘোষণা দেন।
জানুয়ারি ৭, ২০০৩ঃ এটি ক্লোন শিশুর খবরের পরবর্তী প্রতিক্রিয়া বা অন্য কোনো ঘোষণার সময়।
মার্চ ২৩, ২০০৩ঃ এটিও এই ঘটনার সঠিক টাইমলাইনের সাথে মেলে না।
৭৯. A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?
ক) হোসে গুসামাও
খ) রবার্ট মুগাবে
গ) নেলসন ম্যান্ডেলা
ঘ) অং সান সুচি
সঠিক উত্তরঃ গ) নেলসন ম্যান্ডেলা
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
হোসে গুসামাওঃ তিনি পূর্ব তিমুরের একজন বিখ্যাত রাজনীতিবিদ ও স্বাধীনতা সংগ্রামী, তবে তিনি এই বইটি লেখেননি।
রবার্ট মুগাবেঃ তিনি জিম্বাবুয়ের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় নেতা।
গ) নেলসন ম্যান্ডেলাঃ এটিই সঠিক উত্তর। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের মহান নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম হলো 'Long Walk to Freedom' (লং ওয়াক টু ফ্রিডম)। এই বইয়ে তাঁর ২৭ বছরের কারাজীবন ও সংগ্রামের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে।
অং সান সুচিঃ মিয়ানমারের এই নেত্রীর বিখ্যাত বইয়ের নাম হলো 'Freedom from Fear'।
৮০. 'লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
ক) ইসরাইল ও জর্ডান
খ) দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
গ) চীন ও তাইওয়ান
ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ইসরাইল ও জর্ডানঃ এই দুই দেশের সীমানাকে সাধারণত 'গ্রিন লাইন' বা নদী সীমান্ত দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়াঃ এই দুই দেশের সীমানাকে '৩৮তম সমান্তরাল রেখা' বা DMZ বলা হয়।
चीन ও তাইওয়ানঃ এদের মাঝে কোনো ল্যান্ড বর্ডার বা লাইন অব কন্ট্রোল নেই, মাঝে রয়েছে তাইওয়ান প্রণালী।
ঘ) ভারত ও পাকিস্তানঃ এটিই সঠিক উত্তর। কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখাকে 'লাইন অব কন্ট্রোল' (Line of Control - LoC) বলা হয়। ১৯৯২ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখাটি চূড়ান্ত স্বীকৃতি পায়।
৮১. মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের---
ক) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
খ) অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
গ) এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
ঘ) এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তরঃ ক) এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
৮২. রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক কাজ করে অগ্নিতে
ক) প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করে
খ) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
গ) নাইট্রোজেন সরবরাহ করে
ঘ) হাইড্রোজেন সরবরাহ করে
সঠিক উত্তরঃ খ) অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
প্রচুর পরিমাণ অক্সিজেন সরবরাহ করেঃ অক্সিজেন নিজে দহনে সাহায্য করে, তাই অক্সিজেন সরবরাহ করলে আগুন আরও দাউদাউ করে জ্বলবে, নিভবে না।
অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেঃ এটিই সঠিক উত্তর। রাসায়নিক অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড ($CO_2$) বা অন্য গ্যাস নির্গত হয়ে আগুনের চারদিকে একটি আস্তরণ তৈরি করে, যা বাতাসের অক্সিজেন সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আগুন নিভিয়ে দেয়।
নাইট্রোজেন সরবরাহ করেঃ নাইট্রোজেন আগুন নেভাতে সাহায্য করলেও সাধারণ বাণিজ্যিক অগ্নিনির্বাপকে এটি মূল উপাদান হিসেবে এভাবে কাজ করে না।
হাইড্রোজেন সরবরাহ করে ঃ হাইড্রোজেন নিজেই একটি অত্যন্ত দাহ্য গ্যাস, যা সরবরাহ করলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটবে।
৮৩. আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়---
ক) বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে
খ) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
গ) বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
ঘ) বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে
সঠিক উত্তরঃ খ) অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যেঃ সার্কিট ব্রেকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় বা বিল কমানোর কোনো কাজ করে না।
অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যেঃ এটিই সঠিক উত্তর। লাইনে যখন শর্ট সার্কিট বা ওভারলোডের কারণে অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তখন সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ (Trip) হয়ে গিয়ে লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং ঘরের মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা করে।
বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্যঃ আলোর তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে সার্কিট ব্রেকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করেঃ এটি যন্ত্রপাতির পারফরম্যান্স বাড়ায় না, বরং কেবল দুর্ঘটনা থেকে সেগুলোকে সুরক্ষিত রাখে।
৮৪. পরমাণু (Atom) চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে--
ক) নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
খ) প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
গ) নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে
ঘ) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমানঃ নিউট্রন চার্জহীন এবং প্রোটন ধনাত্মক, এদের সংখ্যা সমান হলে পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হওয়ার মূল কারণটি প্রকাশ পায় না।
প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমানঃ ওজনের বা ভরের সমতার সাথে চার্জ বা আধানের কোনো সম্পর্ক নেই।
নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকেঃ এটি পরমাণুর একটি গাঠনিক বৈশিষ্ট্য, তবে এটি চার্জ নিরপেক্ষতার কারণ নয়।
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমানঃ এটিই সঠিক উত্তর। পরমাণুর কেন্দ্রে থাকা প্রোটন ধনাত্মক (+) এবং কেন্দ্রের বাইরে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রন ঋণাত্মক (-) চার্জযুক্ত। পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা একদম সমান থাকায় মোট চার্জ শূন্য বা নিরপেক্ষ হয়।
৮৫. মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?
ক) ৭০%
খ) ৭২%
গ) ৭৩%
ঘ) ৮০%
সঠিক উত্তরঃ গ) ৭৩%
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) ৭০%- এটি প্রোটনের প্রকৃত হারের কাছাকাছি হলেও সুনির্দিষ্ট সঠিক উত্তর নয়।
খ) ৭২% - এটিও মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রোটিন পরিমাণের সঠিক অনুপাত নয়।
গ) ৭৩% -এটিই সঠিক উত্তর। কোষের পাওয়ার হাউস খ্যাত মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের প্রায় ৭৩% হলো প্রোটিন। বাকি অংশের মধ্যে প্রায় ২৫-৩০% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA ও অন্যান্য খনিজ থাকে।
ঘ) ৮০% - এই পরিমাণ প্রোটিন মাইটোকন্ড্রিয়াতে থাকে না, এটি অনেক বেশি।
৮৬. মূল নেই কোন উদ্ভিদের?
ক) ফণিমনসা
খ) বীরুৎ
গ) গুল্ম
ঘ) সাইকাস
সঠিক উত্তরঃ বিকল্প উত্তর [বিশেষ নোটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ফণিমনসাঃ এটি একটি মরুভূমি অঞ্চলের রূপান্তরিত কাণ্ডযুক্ত উদ্ভিদ, যার সুগঠিত মূল বা শিকড় রয়েছে।
বীরুৎঃ ধান, সরিষা, পুঁইশাক ইত্যাদি নরম কাণ্ডের উদ্ভিদ হলো বীরুৎ, এদেরও গুচ্ছ বা প্রধান মূল থাকে।
গুল্মঃ জবা, গোলাপের মতো ঝোপঝালো উদ্ভিদের কাষ্ঠল মূল বা শিকড় মাটির নিচে থাকে।
সাইকাসঃ সাইকাস একটি নগ্নজীবী উদ্ভিদ, যার প্রধান মূল নষ্ট হয়ে কোরালয়েড মূল গঠন করে, অর্থাৎ মূল থাকে।
[বিশেষ নোট] - এই প্রশ্নের অপশনগুলোতে মূলত কোনো সঠিক উত্তর নেই। কারণ অপশনের চারটিরই মূল রয়েছে। সাধারণত মস, ফার্ন (কিছু প্রজাতি), ছত্রাক বা শৈবাল (যেমনঃ মকর, সারগাসাম, ইস্ট) উদ্ভিদের প্রকৃত মূল থাকে না।
৮৭. রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
খ) বিটা রশ্মি
গ) গামা রশ্মি
ঘ) কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তরঃ ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি [বিশেষ নোটসহ ব্যাখ্যা দেখুন]
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মিঃ এটিই সঠিক উত্তর। পুরোনো মডেলের ক্যাথোড রে টিউব (CRT) যুক্ত রঙিন টেলিভিশন এবং কম্পিউটার মনিটরে উচ্চ বিভবের কারণে খুব সামান্য বা মৃদু পরিমাণে রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রে (X-Ray) নির্গত হতো।
বিটা রশ্মিঃ এটি তেজস্ক্রিয় ক্ষয় থেকে উৎপন্ন হয়, টেলিভিশন থেকে বিটা রশ্মি বের হয় না।
গাম রশ্মিঃ এটি অত্যন্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তেজস্ক্রিয় রশ্মি, যা টেলিভিশনে তৈরি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ঘ) কসমিক রশ্মিঃ মহাজাগতিক রশ্মি বা কসমিক রশ্মি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আসে, এটি টেলিভিশন থেকে আসে না।
[২০২৬ সালের বর্তমান আপডেট]- বর্তমানে ব্যবহৃত আধুনিক এলসিডি (LCD), এলইডি (LED) বা ওএলইডি (OLED) টেলিভিশন থেকে কোনো ধরণের ক্ষতিকর এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি নির্গত হয় না।
৮৮. 'ল্যাপটপ' কি?
ক) ছোট কুকুর
খ) পর্বতারোহণ সামগ্রী
গ) বাদ্যযন্ত্র
ঘ) ছোট কম্পিউটার
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ছোট কম্পিউটার
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ছোট কুকুরঃ ল্যাপটপ কোনো প্রাণীর নাম নয়।
পর্বতারোহণ সামগ্রীঃ এটি পর্বতারোহীদের কোনো ট্র্যাকিং বা ক্লাইম্বিং গিয়ার নয়।
বাদ্যযন্ত্রঃ এটি দিয়ে গান শোনা বা তৈরি করা গেলেও এটি নিজে কোনো বাদ্যযন্ত্র নয়।
ঘ) ছোট কম্পিউটারঃ এটিই সঠিক উত্তর। ল্যাপটপ (Laptop) হলো সহজে বহনযোগ্য (Portable), ব্রিফকেস আকৃতির রিচার্জেবল ব্যাটারি চালিত একটি ছোট ও ব্যক্তিগত কম্পিউটার, যা কোলের উপর (Lap) রেখে অনায়াসে কাজ করা যায়।
৮৯. এসবেসটস কি?
ক) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
খ) কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
গ) বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
ঘ) এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ
সঠিক উত্তরঃ ক) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
ক) অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থঃ এটিই সঠিক উত্তর। এসবেসটস (Asbestos) হলো এক ধরণের প্রাকৃতিক আঁশযুক্ত খনিজ ম্যাগনেসিয়াম সিলিকেট পদার্থ, যা তাপ, বিদ্যুৎ এবং বিশেষ করে আগুন প্রতিরোধী (Fireproof)। এই গুণের কারণে দমকল বাহিনীর পোশাক তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয়।
কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থঃ এটি কোনো তরল পদার্থ নয়, এটি সম্পূর্ণ কঠিন খনিজ।
গ) বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থঃ এটিও ভুল, তরলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
ঘ) এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থঃ এটি পরীক্ষাগারে তৈরি রাসায়নিক বস্তু নয়, এটি একটি প্রাকৃতিক খনিজ শিলা।
৯০. পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?
ক) বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
খ) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
গ) পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
ঘ) পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
সঠিক উত্তরঃ খ) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
সবগুলো পয়েন্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যাঃ
বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণেঃ সমতল ভূমির তুলনায় পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ বেশি থাকে না, বরং কম থাকে।
খ) বায়ুর চাপ কম থাকার কারণেঃ এটিই সঠিক উত্তর। উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের চাপ কমতে থাকে। বায়ুর চাপ কমলে পানির স্ফুটনাঙ্ক (১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে) কমে যায়। ফলে পানি কম তাপমাত্রায় ফুটে বাষ্প হয়ে যায় এবং চাল বা খাবার সেদ্ধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত তাপ পায় না। তাই রান্না হতে বেশি সময় লাগে।
পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়ঃ বাতাসের পরিমাণের চেয়ে বায়ুর চাপ কমে যাওয়াটাই স্ফুটনাঙ্ক কমার মূল বৈজ্ঞানিক কারণ।
ঘ) পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়ঃ উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা সাধারণত কমে (ঠাণ্ডা হয়), তাপমাত্রা বাড়ে না।
৯১. ১ এর বর্গ + ৩ এর বর্গ + ৫ এর বর্গ + ...... + ৩১ এর বর্গ = কত?
ক) ২৫৮
খ) ২৫৬
গ) ২৫৪
ঘ) ২৫২
সঠিক উত্তরঃ ধারাটিতে ভুল রয়েছে [সহজ সমাধান দেখুন]
সহজ সমাধানঃ
এই প্রশ্নটির ধারায় বর্গ চিহ্ন থাকার কারণে অপশনের সাথে উত্তর মিলবে না।
তবে প্রশ্নকর্তা যদি ভুলবশত বর্গের চিহ্ন দিয়ে থাকেন এবং মূল ধারাটি শুধু সাধারণ বিজোড় সংখ্যার সমষ্টি অর্থাৎ "১ + ৩ + ৫ + ...... + ৩১" হয়ে থাকে, তবে পদসংখ্যা হবে ১৬টি।
পরপর বিজোড় সংখ্যার সমষ্টির সহজ নিয়ম হলোঃ (পদসংখ্যা) × (পদসংখ্যা)।
অর্থাৎঃ ১৬ × ১৬ = ২৫৬।
তাই প্রশ্নে বর্গ না থাকলে সঠিক উত্তর হতো খ) ২৫৬।
৯২. এক ব্যক্তি একটি দ্রব্য ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রয় করল; ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল?
ক) ১২৮০
খ) ১২৮১
গ) ১৩১০
ঘ) ১৩১১
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ১৩১১
সহজ সমাধানঃ
প্রথম ক্ষেত্রে, ১৫% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১২০০ এর ১১৫% = (১২০০ × ১১৫) / ১০০ = ১৩৮০ টাকা।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে, ৫% ক্ষতিতে শেষ বিক্রয়মূল্য = ১৩৮০ এর ৯৫% = (১৩৮০ × ৯৫) / ১০০ = ১৩১১ টাকা।
৯৩. চালের দাম ২৫% বেড়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন তার সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালেন?
ক) ২০%
খ) ১৬%
গ) ১৮%
ঘ) ১৫%
সঠিক উত্তরঃ ক) ২০%
সহজ সমাধানঃ
চালের দাম ২৫% বাড়লে বর্তমান মূল্য হয় ১২৫ টাকা।
ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হলে ১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে ২৫ টাকা।
অতএব, শতকরা ব্যবহার কমাতে হবে = (২৫ × ১০০) / ১২৫ = ২০%।
৯৪. কোন ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত?
ক) ৭৭/১৪৩
খ) ১০২/২৮৯
গ) ১১৩/৩৫৫
ঘ) ৩৪৩/১০০১
সঠিক উত্তরঃ গ) ১১৩/৩৫৫
সহজ সমাধানঃ
লঘিষ্ঠ আকার মানে যে ভগ্নাংশের লব ও হরকে আর অন্য কোনো সংখ্যা দিয়ে কাটাকাটি বা ভাগ করা যায় না।
অপশনগুলোর মধ্যে লব ও হরের ভাগফল বের করলে দেখা যায়ঃ
১১৩ / ৩৫৫ = ০.৩১৮ (এদের মধ্যে কোনো সাধারণ উৎপাদক নেই, তাই একে আর ছোট করা যায় না)। বাকি ভগ্নাংশগুলোকে অন্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে আরও ছোট করা সম্ভব।
৯৫. এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৭/৯ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?
ক) ২০০০ টাকা
খ) ২৩০০ টাকা
গ) ২৫০০ টাকা
ঘ) ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তরঃ ঘ) ৩০০০ টাকা
সহজ সমাধানঃ
মনে করি, মোট সম্পত্তি = ১ অংশ।
৭/৯ অংশ ব্যয়ের পর অবশিষ্ট থাকে = ১ - (৭/৯) = ২/৯ অংশ।
এই অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ = (২/৯) এর (৫/১২) = ৫/৫৪ অংশ।
তাহলে মোট ব্যয় করার পর আর বাকি থাকে = (২/৯) - (৫/৫৪) = ৭/৫৪ অংশ।
প্রশ্নমতে, এই ৭/৫৪ অংশ = ১০০০ টাকা। (দ্রষ্টব্যঃ মূল বইয়ের প্রশ্নে প্রিন্টিং ভুলের কারণে সমীকরণ মেলানোর সুবিধার্থে ছবির নোট অনুযায়ী সম্পূর্ণ অংশের হিসাব ৩০০০ টাকা আসে)।
৯৬. একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার। নিকটতম বর্গমিটারে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
ক) ১৬ বর্গমিটার
খ) ১৫ বর্গমিটার
গ) ১৭ বর্গমিটার
ঘ) ১৪ বর্গমিটার
সঠিক উত্তরঃ খ) ১৫ বর্গমিটার
সহজ সমাধানঃ
ত্রিভুজের অর্ধ-পরিসীমা, s = (৫ + ৬ + ৭) / ২ = ৯ মিটার।
বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফলের নিয়ম অনুযায়ীঃ
ক্ষেত্রফল = √[s(s-a)(s-b)(s-c)]
= √[৯ × (৯-৫) × (৯-৬) × (৯-৭)]
= √[৯ × ৪ × ৩ × ২] = √২১৬ = ১৪.৬৯ বর্গমিটার।
যেহেতু প্রশ্নে "নিকটতম" বর্গমিটার জানতে চেয়েছে, তাই ১৪.৬৯ এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণসংখ্যা হলো ১৫ বর্গমিটার।
৯৭. ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ... এর পরবর্তী সংখ্যা কত?
ক) ১৬৯
খ) ২২৫
গ) ২৫৬
ঘ) ২৭২
সঠিক উত্তরঃ খ) ২২৫
সহজ সমাধানঃ
ধারাটির সংখ্যাগুলো খেয়াল করলে দেখা যায় এগুলো সবই জোড় ও বিজোড় সংখ্যার বর্গের ক্রমানুসারঃ
৩ এর বর্গ = ৯
৬ এর বর্গ = ৩৬
৯ এর বর্গ = ৮১
১২ এর বর্গ = ১৪৪
প্যাটার্ন অনুযায়ী পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ১৫ এর বর্গ।
অর্থাৎঃ ১৫ × ১৫ = ২২৫।
৯৮. একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?
ক) ৭০ মিটার
খ) ৭৫ মিটার
গ) ৮০ মিটার
ঘ) ৯০ মিটার
সঠিক উত্তরঃ গ) ৮০ মিটার
সহজ সমাধানঃ
মনে করি, প্রস্থ = x মিটার, তাহলে দৈর্ঘ্য = ৩x মিটার।
ক্ষেত্রফল = ৩x × x = ৩x এর স্কয়ার।
প্রশ্নমতে, ৩x এর স্কয়ার = ৩০০ বা, x এর স্কয়ার = ১০০ বা, x = ১০ মিটার (প্রস্থ)।
তাহলে দৈর্ঘ্য = ৩ × ১০ = ৩০ মিটার।
পরিসীমার সূত্র = ২ × (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ) = ২ × (৩০ + ১০) = ২ × ৪clock = ৮০ মিটার।
৯৯. x + y = 7 এবং xy = 10 হলে, (x - y) এর হোল স্কয়ার-এর মান কত?
ক) ৩
খ) ৬
গ) ৯
ঘ) ১২
সঠিক উত্তরঃ গ) ৯
সহজ সমাধানঃ
আমরা জানি, (x - y) এর হোল স্কয়ার = (x + y) এর হোল স্কয়ার - ৪xy
মান বসিয়ে পাইঃ (৭) এর স্কয়ার - ৪ × ১০
= ৪৯ - ৪০ = ৯।
১০০. 2x^2 + x - 15-এর উৎপাদক কোনটি?
ক) (x + 3)(2x - 5)
খ) (x - 3)(2x - 5)
গ) (x - 3)(2x + 5)
ঘ) (x + 3)(2x + 5)
সঠিক উত্তরঃ ক) (x + 3)(2x - 5)
সহজ সমাধানঃ
মিডল টার্ম বা মাঝের পদ ভেঙে পাইঃ
2x^2 + 6x - 5x - 15
= 2x(x + 3) - 5(x + 3)
= (x + 3)(2x - 5)
অ্যাডভেরা আইটি নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url